
সাধন সাহা জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলাজুড়ে বিভিন্ন বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঝুলছে শত শত ডিস (ক্যাবল টেলিভিশন) ও ইন্টারনেট সংযোগের ডিভাইস, এমপ্লিফায়ারসহ নানা যন্ত্রপাতি। এসব বাণিজ্যিক ডিভাইসে নিয়মিত বিদ্যুৎ খরচ হলেও তা কীভাবে এবং কার নামে পরিশোধ করা হচ্ছে—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের দাবি, পল্লি বিদ্যুৎ বা বিদ্যুৎ অফিসের খুঁটি ব্যবহার করে একশ্রেণির ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট ও ডিস ক্যাবলের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। প্রতিটি খুঁটিতে সংযুক্ত এসব সক্রিয় ডিভাইসের জন্য ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। অথচ এই বিদ্যুৎ ব্যবহারের কোনো সুনির্দিষ্ট বা স্বচ্ছ হিসাব জনসমক্ষে দেখা যায় না।
এসব বাণিজ্যিক ডিভাইসের বিদ্যুৎ বিল কি নিয়মিত পরিশোধ করা হচ্ছে, নাকি আবাসিক বা অন্য কোনো খাতের বিলের সঙ্গে এর সংযোগ রয়েছে—তা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
সাধারণ মানুষের মতে, বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো সরকারি বা সংস্থাসম্পর্কিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ। বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে এসব খুঁটিতে ডিভাইস বসিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হলেও এর সঠিক রাজস্ব বা বিদ্যুৎ বিল আদায় হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ইন্টারনেট-ডিস ব্যবসায়ীদের সঠিক ব্যাখ্যা এবং কার্যকর তদারকি কামনা করেছেন নবীনগরের সচেতন নাগরিকরা।
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও নিয়মের আওতায় এসব ডিভাইসের বিদ্যুৎ ব্যবহার পরিমাপের দাবি জানিয়েছেন তারা।