1. live@www.dainikpunarbhaba.com : দৈনিক পুনর্ভবা সংবাদ : দৈনিক পুনর্ভবা সংবাদ
  2. info@www.dainikpunarbhaba.com : দৈনিক পুনর্ভবা :
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ফুলকুঁড়ি ইসলামী একাডেমিতে এ-প্লাস প্রাপ্তদের সংবর্ধনা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গোপনে অস্ত্রোপচার! বন্ধের নির্দেশের পরও ক্লিনিকে সিজার-অ্যাপেন্ডিসাইটিস অপারেশন, টাকার প্রস্তাবে ধামাচাপার চেষ্টা রামচন্দ্রপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে ‘উঠান’-এর উদ্যোগে ২ শতাধিক সুপারি গাছ রোপণ রাণীশংকৈলে মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্নামেন্টের উদ্বোধন। বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, সম্পাদিকা,কথা-সাহিত্যিক মাধুরী ব্যানার্জীর লেখা অণুগল্প: কর্মের কান্ডারী ধামইরহাটে নিজ মেয়েকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বাবা কারাগারে গোমস্তাপুরে পিস্তলের ম্যাগাজিন, গুলি ও বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন উদ্ধার পুলিশের যৌথ অভিযান, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত ভূমিসেবা সহায়তাকারী ও অপারেটরদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত! ধামইরহাটে ১৫ জন শিক্ষকের বিপরীতে ১৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করল ১ জন ফেল করল ১৬, আর অংশগ্রহণ করেননি ১ জন। বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক, গল্পকার ও কথা-সাহিত্যিক মাধুরী ব্যানার্জীর লেখা অণুগল্প : ” শুধু প্রেরণা হয়েই থেকো “

বৃষ্টিতেই কাদার সাগর, চরম দুর্ভোগে ইসলামপুরের ঘোষপাড়া-বেলদার পাড়ার মানুষ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

 

ফয়সাল আজম অপু, স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ঘোষপাড়া-বেলদারপাড়া এলাকার প্রায় চার কিলোমিটার সড়ক এখন স্থানীয়দের দুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন অংশ কাদা ও পানিতে একাকার হয়ে যায়। এতে পথচারী, শিক্ষার্থী, কৃষক, ভ্যানচালক ও মোটরসাইকেল আরোহীদের প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থা থাকলেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষা এলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইসলামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তেররশিয়া স্কুল থেকে পেঁচিপাড়া-ঘোষপাড়া-বেলদারপাড়া হয়ে পাইকারপাড়া মোড় পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন অংশে কাদা ও পানি জমে রয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের মাটি সরে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পিচ্ছিল কাদার কারণে পায়ে হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, ভ্যানসহ ছোট যানবাহন।

বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিন কাদা মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে তাদের। বৃষ্টির দিনে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারছে না বলেও জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. মুনসুর আলী বলেন, “বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কাদায় একাকার হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করা দরকার।”

আরেক বাসিন্দা মো. শাজাহান আলী সহ একাধিক বাসিন্দা বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন এলাকার শত শত মানুষ চলাচল করেন। রাস্তার এমন অবস্থার কারণে ছোট যানবাহনও ঠিকমতো চলতে পারে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানাই।”

অটোরিকশা চালক আব্দুল মাতিন জানান, “রাস্তার পাশে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। পানি নামতে না পারায় কাদা দীর্ঘ সময় রাস্তায় পড়ে থাকে। এরাস্তায় অটোরিকশা চালাতে গিয়ে মর্টার নষ্ট হয়ে গেছে, ভালো করার টাকা নাই, তাই বসে মানবেতর জীবনযাপন করছি। এভাবে চলতে থাকলে রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ হবে।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল রানা শান্ত’র ভাষ্য, “কেউ অসুস্থ হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। বর্ষার সময় এই রাস্তা দিয়ে ভ্যান বা মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করাটাও ঝুঁকিপূর্ণ। স্কুলগামী শিশুদের দুর্ভোগ দেখলে খুব খারাপ লাগে। তিনি আরও বলেন বিগত সময় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই রাস্তা পাকাকরনের কাজ কয়েকবার বরাদ্দ হলেও জসিম চেয়ারম্যান নিজ স্বার্থে অন্য এলাকায় বরাদ্দ নিয়ে গেছে”

এলাকাবাসী আরও জানান, সড়কটি পাকা ও চলাচলের উপযোগী করা হলে ইসলামপুরের সঙ্গে আশপাশের এলাকার যোগাযোগ অনেক সহজ হবে। বর্তমানে সড়কটির বেহাল দশার কারণে স্থানীয়দের ৫ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে চাটাইডুবি-হায়াতমোড় হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে যাতায়াত করতে হয়।

স্থানীয়দের মতে, সড়কটি সংস্কার হলে দেবিনগর তরপার ঘাট থেকে এই রাস্তা দিয়ে নতুন ব্রিজ হয়ে শহরে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও দূরত্ব ও সময় কমবে। ফলে শুধু ঘোষপাড়া বা বেলদারপাড়ার মানুষ নয়, আশপাশের কয়েকটি গ্রাম এলাকার বাসিন্দারাও এর সুফল পাবেন।

ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, “এ রকম আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। ঘোষপাড়ার এই রাস্তার চেয়ে অন্য কিছু রাস্তা বেশি জরুরি হওয়ায় সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।”

তবে স্থানীয়দের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির দুরবস্থা বিবেচনা করে অন্তত আপাতত মাটি ও খোয়া ফেলে চলাচলের উপযোগী করা, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা এবং পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে পাকা সড়কে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হোক।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন—জনগণের প্রতিদিনের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি আর কতদিন কাদায় ডুবে থাকবে? বর্ষার এই দুর্ভোগ থেকে কবে মুক্তি মিলবে ঘোষপাড়া-বেলদার পাড়ার মানুষের?

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট