1. live@www.dainikpunarbhaba.com : দৈনিক পুনর্ভবা সংবাদ : দৈনিক পুনর্ভবা সংবাদ
  2. info@www.dainikpunarbhaba.com : দৈনিক পুনর্ভবা :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত চৌডালা গড়ার প্রত্যয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ নুরে আলম (খলিল হাজীর) ধামইরহাটে বাঁশঝাড় থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার ধামইরহাটে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী কোরবান আলী দেলোয়ার নবীনগরের মহেশপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫, গ্রেপ্তার ৪ নলডাঙ্গায় মৎস্য ও মাদকবিরোধী অভিযান-জেল-জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড শিবগঞ্জে ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা গোমস্তাপুরে কৃষক দলের বার্ষিক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত  বাঙ্গাবাড়িতে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র উদ্যোগে মাসব্যাপী “ইলেকট্রিক্যাল এন্ড হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু”

মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত চৌডালা গড়ার প্রত্যয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ নুরে আলম (খলিল হাজীর)

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ৭ নং চৌডালা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেছেন মোঃ নূরে আলম সিদ্দিক (খলিল হাজী)। অতীত ও বর্তমান সময়ে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি জনগণের বিপদে-আপদে পাশে থাকা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
তিনি এমন একটি চৌডালা ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চান, যেখানে মাদক, জুয়া, ডাকাতি, ভূমি দখল, নারী নির্যাতন ও নারীর সম্মানহানির মতো অপরাধ এবং বাল্যবিবাহের কোনো স্থান থাকবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, সামাজিক শান্তি, ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।
জনগণের সেবা ও বিপদে পাশে থাকার অঙ্গীকার
মোঃ নূরে আলম সিদ্দিক (খলিল হাজী) বলেন, “আমি জনগণের সেবা করার উদ্দেশ্যে এবং মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে চাই। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, অসহায় মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা এবং এলাকার মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখাই আমার উদ্দেশ্য।”
তিনি মনে করেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত জনগণের সেবা করা। সাধারণ মানুষ যেন তাঁদের সমস্যা নিয়ে জনপ্রতিনিধির কাছে আসতে পারেন এবং যথাসম্ভব সহযোগিতা পান, সেই পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। ধনী-গরিব, ধর্ম-বর্ণ কিংবা সামাজিক পরিচয় নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সমান মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
তাঁর মতে, একটি এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট, সেতু-কালভার্ট কিংবা বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এলাকার মানুষের নিরাপত্তা, সামাজিক শান্তি, শিক্ষার পরিবেশ, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অসহায় মানুষের পাশে থাকা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড
মোঃ নূরে আলম সিদ্দিক (খলিল হাজী) অতীত ও বর্তমানে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর সমাজসেবার ভাবনায় অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, অসুস্থ মানুষের চিকিৎসায় সহযোগিতা করা, শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং এলাকার বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে ভূমিকা রাখার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
সমাজের অসচ্ছল পরিবারগুলো নানা সংকটে পড়ে অনেক সময় প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়। বিশেষ করে অসুস্থতা, আর্থিক সংকট কিংবা পারিবারিক দুর্যোগের সময় এসব পরিবারের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসায় সহযোগিতা, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়া এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে উদ্যোগ গ্রহণ সমাজকল্যাণমূলক কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খলিল হাজীর প্রত্যাশা, মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকার মানসিকতাকে আরও বিস্তৃত করে চৌডালা ইউনিয়নের সার্বিক কল্যাণে কাজ করা। তাঁর মতে, সমাজের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে সম্ভব নয়; বরং মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করা, অসহায়দের সহযোগিতা করা এবং তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাও প্রয়োজন।
তিনি চৌডালা ইউনিয়নের মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখতে চান। বিশেষ করে অসহায় পরিবার, দরিদ্র শিক্ষার্থী ও চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত মানুষের প্রয়োজনের সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
তাঁর প্রত্যাশা, ইউনিয়নবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগে এমন একটি মানবিক সমাজ গড়ে উঠবে, যেখানে সামর্থ্যবানরা অসহায়দের পাশে দাঁড়াবেন, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় উৎসাহ পাবে এবং সামাজিক সমস্যাগুলো সমাধানে সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।
মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়
চৌডালা ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে খলিল হাজী বলেন, তাঁর প্রত্যাশিত ইউনিয়নে মাদক বিক্রেতা ও মাদকসেবীদের জন্য কোনো প্রশ্রয়ের পরিবেশ থাকবে না। মাদকের কারণে কোনো পরিবার যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং তরুণ সমাজ যেন মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পায়, সে লক্ষ্যে কাজ করতে চান তিনি।
তিনি বলেন, মাদক একটি পরিবারকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলতে পারে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, তরুণদের খেলাধুলা ও গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইনসম্মতভাবে সহযোগিতা করা প্রয়োজন।
খলিল হাজীর ভাষ্য অনুযায়ী, চৌডালা ইউনিয়নকে এমন একটি নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা রয়েছে, যেখানে পরিবারগুলো তাঁদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন।
ডাকাতি ও অপরাধমুক্ত নিরাপদ জনপদ গড়ার প্রত্যাশা
এলাকার মানুষের জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিতে চান খলিল হাজী। তাঁর প্রত্যাশা, চৌডালা ইউনিয়নে ডাকাতি, ছিনতাইসহ কোনো ধরনের অপরাধ যেন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে।
এলাকায় অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
একটি নিরাপদ ইউনিয়ন গড়ে তুলতে আইনের শাসন, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং নাগরিকদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ যেন নিরাপদে চলাফেরা করতে পারেন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারেন।
জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে উদ্যোগের প্রত্যাশা
জুয়া ও অবৈধ জুয়ার আসরের কারণে পরিবার ও সামাজিক জীবনে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে তরুণ সমাজকে দূরে রাখা এবং পরিবারগুলোকে আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির ঝুঁকি থেকে রক্ষা করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন খলিল হাজী।
তিনি চৌডালা ইউনিয়নকে জুয়ামুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, অভিভাবকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তাঁর মতে, এলাকার তরুণদের খেলাধুলা, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গেলে তাঁরা ইতিবাচক কাজে উৎসাহিত হতে পারেন।
ভূমি দখল ও ভূমিসংক্রান্ত হয়রানি প্রতিরোধের প্রত্যাশা
জমিজমা নিয়ে বিরোধ, জবরদখল এবং ভূমিসংক্রান্ত হয়রানি অনেক সময় সাধারণ মানুষের জন্য দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে অসহায় ও আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষ ভূমিসংক্রান্ত বিরোধে পড়লে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা ও সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়া তাঁদের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
খলিল হাজীর প্রত্যাশা, চৌডালা ইউনিয়নে ভূমি দখল ও ভূমিসংক্রান্ত অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। জমির মালিকানা বা দখলসংক্রান্ত কোনো বিরোধ দেখা দিলে আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং কোনো ব্যক্তি যেন জোরপূর্বক অন্যের সম্পত্তি দখল করতে না পারেন, সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।
তিনি এমন একটি পরিবেশের প্রত্যাশা করেন, যেখানে সাধারণ মানুষ তাঁদের সম্পত্তি ও অধিকার নিয়ে নিরাপদ থাকতে পারবেন এবং ভূমিসংক্রান্ত সমস্যায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের সহায়তা পাবেন।
নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় অঙ্গীকার
নারীর নিরাপত্তা, সম্মান ও মর্যাদা রক্ষাকে একটি সুন্দর সমাজ গঠনের অন্যতম শর্ত হিসেবে বিবেচনা করেন খলিল হাজী। নারীকে হয়রানি, নির্যাতন, প্রতারণা কিংবা সম্মানহানির শিকার হতে হয়—এমন পরিস্থিতি প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি চৌডালা ইউনিয়নকে নারী নির্যাতন ও নারীর সম্মানহানিমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। এ জন্য নারীদের নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা নেওয়া জরুরি।
নারীদের শিক্ষা, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনসম্মত তদন্ত ও ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।
বাল্যবিবাহমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যাশা
বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক সমস্যা, যা শিশুদের শিক্ষা, স্বাভাবিক বিকাশ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। বিশেষ করে অল্প বয়সে বিয়ে হওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয় এবং তাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে।
খলিল হাজী চৌডালা ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহমুক্ত এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অভিভাবকদের সচেতন করা, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা, স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং বাল্যবিবাহের ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সহযোগিতা করা প্রয়োজন।
তিনি মনে করেন, শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সচেতন ব্যক্তিদের সম্মিলিতভাবে কাজ করা জরুরি। প্রতিটি শিশুর শিক্ষা গ্রহণ, বেড়ে ওঠা এবং
নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ থাকা উচিত।
উন্নয়ন, সম্প্রীতি ও জনকল্যাণকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রত্যাশা
মাদক, জুয়া ও অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি চৌডালা ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং নাগরিক সুবিধার উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন খলিল হাজী।
একটি ইউনিয়নের সার্বিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে উন্নয়ন পরিকল্পনায় স্থানীয় মানুষের মতামত গ্রহণ, সরকারি সেবার সুষ্ঠু বণ্টন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। ইউনিয়নের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে তাঁদের জন্য প্রযোজ্য সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সহজ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ও প্রয়োজন।
তিনি এমন একটি জনবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা করেন, যেখানে ধর্ম-বর্ণ, ধনী-গরিব কিংবা সামাজিক পরিচয়ের কারণে কেউ বৈষম্যের শিকার হবেন না। ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখার ওপরও জোর দেন তিনি।
ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা
অতীত ও বর্তমানে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে মোঃ নূরে আলম সিদ্দিক (খলিল হাজী) ৭ নং চৌডালা ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেছেন। জনগণের বিপদে পাশে থাকা, সাধারণ মানুষের সেবা করা এবং এলাকার সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তাঁর ঘোষিত প্রত্যাশার মধ্যে রয়েছে—মাদকমুক্ত, জুয়ামুক্ত, ডাকাতিমুক্ত, ভূমি দখলমুক্ত, নারী নির্যাতন ও সম্মানহানিমুক্ত এবং বাল্যবিবাহমুক্ত চৌডালা ইউনিয়ন গড়ে তোলা। এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে জনসচেতনতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং ইউনিয়নবাসীর সম্মিলিত অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা যেতে পারে।
তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করে বলেন, জনগণের সেবা করা এবং মানুষের বিপদে পাশে থাকাই তাঁর কাজ করার অন্যতম উদ্দেশ্য।
চৌডালা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি, মানুষের নিরাপত্তা এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি ইউনিয়নবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে জনপ্রতিনিধি যিনিই হোন, তিনি যেন জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে চৌডালা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে কাজ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট