1. live@www.dainikpunarbhaba.com : দৈনিক পুনর্ভবা সংবাদ : দৈনিক পুনর্ভবা সংবাদ
  2. info@www.dainikpunarbhaba.com : দৈনিক পুনর্ভবা :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নবীনগরের মহেশপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫, গ্রেপ্তার ৪ নলডাঙ্গায় মৎস্য ও মাদকবিরোধী অভিযান-জেল-জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড শিবগঞ্জে ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা গোমস্তাপুরে কৃষক দলের বার্ষিক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত  বাঙ্গাবাড়িতে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র উদ্যোগে মাসব্যাপী “ইলেকট্রিক্যাল এন্ড হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু” ভোলাহাট উপজেলার ৪ নং জামবাড়ীয়া ইউনিয়নে আনসার বাহিনীর জনসচেতনমূলক সভা অনুষ্ঠিত গোমস্তাপুরে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪০ বছরের এনামুল ধামইরহাটে সিঁড়ি থেকে পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারেই মিলতে পারে রাজশাহী–খুলনা রুটে রাতের নতুন আন্তঃনগর ট্রেন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

 

 

বিশেষ প্রতিবেদন:-মাওঃ জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল

রাজশাহী ও খুলনার মধ্যে যাত্রী চলাচল দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও রাতের বেলায় সরাসরি কোনো আন্তঃনগর ট্রেন না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা ও চাকরিসহ নানা প্রয়োজনে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই রুটে যাতায়াত করেন। কিন্তু রাতের ট্রেনের অভাবে অনেককেই স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়, যা বিশেষ করে অসুস্থ রোগী, নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।

খুলনার অনেক রোগী চিকিৎসার জন্য রাজশাহীতে এসে চিকিৎসকের পরামর্শ ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতে বাড়ি ফিরতে পারেন না। বাধ্য হয়ে তাদের স্টেশনেই রাত কাটাতে হয় এবং পরদিন সকালে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেসে যাত্রা করতে হয়। একইভাবে খুলনা থেকে সন্ধ্যার পর রাজশাহীর উদ্দেশ্যে কোনো আন্তঃনগর ট্রেন না থাকায় যাত্রীদের বিকেলের সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেসের ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ সৃষ্টি হয় এবং অনেকেই দাঁড়িয়ে বা কষ্ট করে ভ্রমণ করেন।

বিশেষজ্ঞ ও রেলপ্রেমীদের মতে, এই সমস্যার সমাধানে নতুন কোচ বা লোকোমোটিভ সংগ্রহ করা অপরিহার্য নয়। বর্তমানে ব্যবহৃত রেক ও লোকোমোটিভের অব্যবহৃত সময়কে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগালেই একটি নতুন রাতের আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা সম্ভব হতে পারে।

বর্তমানে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস রাজশাহীতে পৌঁছে সারারাত অলস অবস্থায় থাকে। একইভাবে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসও খুলনায় পৌঁছানোর পর পরবর্তী যাত্রার আগ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ব্যবহারহীন থাকে। এই সময়ে যদি সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেসের রেককে নতুন নামে রাতে খুলনার উদ্দেশ্যে এবং কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসের রেককে একই সময়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে পরিচালনা করা হয়, তাহলে ভোরের মধ্যেই উভয় ট্রেন নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে যাবে। এরপর নির্ধারিত সময়ে আবার নিজ নিজ নামে নিয়মিত সেবা পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

রেলওয়ের ইতিহাসে বিদ্যমান রেকের কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেবা সম্প্রসারণের নজির রয়েছে। পরিকল্পিত রেক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অতীতেও পদ্মা, সিল্কসিটি ও ধূমকেতু এক্সপ্রেসের পরিচালনায় পরিবর্তন এনে যাত্রীসেবা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে রাজশাহী–খুলনা রুটেও একই ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সরকারের অতিরিক্ত বিনিয়োগের প্রয়োজন কমবে, বিদ্যমান সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং হাজারো যাত্রীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব হবে। পাশাপাশি সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেসের ওপর অতিরিক্ত যাত্রীচাপও কমে আসবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে সবসময় যাত্রীবান্ধব ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তাই বিদ্যমান রেক ও লোকোমোটিভের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে রাজশাহী–খুলনা রুটে রাতের একটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর সম্ভাবনাটি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা সময়ের দাবি। সীমিত সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনাই হতে পারে উন্নত রেলসেবার অন্যতম ভিত্তি, আর সেই পথ ধরেই যাত্রীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫
৬৭৮৯১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট